The Unfold story of Garhpanchokot
কাটিলা মহেন্দ্ৰ মৰ্ত্ত্যে বজ্র প্রহরণে পৰ্ব্বতকুলের পাখা ; কিন্তু হীনগতি সে জন্য নহ হে তুমি, জানি আমি মনে, পঞ্চকোট ! আপনারা হয়তো ভাবছেন একি ধান ভানতে শিবের গীত কেন। লিখতে তো বসেছি ভ্রমন কাহিনী হঠাৎ করে মাইকেল মধুকবি কে ডাকাডাকি কেন। আসলে বাংলার অন্যতম বহুমুখী প্রতিভাসম্পন্ন কবির সাথে বাংলার অন্যতম প্রভাবশালী রাজবংশের যোগসুত্রটা দেখতে পেয়ে আমিও খুব অবাক হয়ে গেছিলাম। আজকের মানসসভ্রমনে সেই ইতিহাসেরই একটু ঘ্রান নেওয়ার চেষ্টা। প্রচুর স্বপ্ন উচ্চাশা নিয়ে বিদেশ যাত্রা করে কবি মধুসূদন কলকাতা ফিরলেন প্রবল দারিদ্র-হতাশা এবং একটি ব্যারিস্টারী ডিগ্রী নিয়ে। ব্যবহারিক বু্দ্ধির অভাবে কলকাতা হাইকোর্টেও পসার জমাতে ব্যার্থ হলেন তিনি। তাই জীবন-সায়াহ্নে ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দের ফেব্রুয়ারি মাসে পুরুলিয়া শহরে আসেন একটি মোকদ্দমায় বাদীপক্ষের ব্যরিস্টার হিসাবে। ব্যারিস্টার কবি মধুসূদন পুরুলিয়া আগমনে খ্রিস্টধর্মাবলম্বী জনগণের মধ্যে বিশেষ সাড়া পরে যায় এবং তারা তাঁকে স্থানীয় মিশন হাউসে উষ্ণ সংবর্ধনা জানান। মুগ্ধচিত্ত কবি পুরুলিয়া শহরেই রচনা করেন একটি সনেট, যার প্রথম চার পঙক্তি নিম্নরূপ: ...